
ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও হামলায় নুরুল হক নুর মারাত্মকভাবে আহত হওয়ায় লাল টি-শার্ট পরা এক যুবক খুঁজছে পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মারধরের একটি ভিডিও ভাইরাল হতেই অনেকে প্রশ্ন করেছেন, লাল রঙের টি-শার্ট পরিহিত এই যুবক আসলে কে
বিশেষ প্রতিনিধি : কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আওয়ামী লীগবিরোধী মিছিল চলার সময় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও হামলায় নুরুল হক নুর মারাত্মকভাবে আহত হওয়ায় লাল টি-শার্ট পরা এক যুবক খুঁজছে পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মারধরের একটি ভিডিও ভাইরাল হতেই অনেকে প্রশ্ন করেছেন, লাল রঙের টি-শার্ট পরিহিত এই যুবক আসলে কে, কি তার পরিচয়।পুলিশ বলছে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
তদন্তের দাবি তারেক রহমানের
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একইসঙ্গে নুরের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে সরকারের কাছে ঘটনার আইনসম্মত তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত সংবেদনশীল গণতান্ত্রিক উত্তরণের সময় অতিক্রম করছি, যার প্রথম পদক্ষেপ হলো জাতীয় নির্বাচন। তাই আজকের মতো অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী ঘটনাগুলো যাতে ছড়িয়ে না পড়ে এবং আমাদের গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত না হয়— সেটি আমাদের সম্মিলিতভাবে নিশ্চিত করতে হবে।
লাল শার্ট পড়া যুবক পিটিয়েছে সম্রাটকে:রাশেদ খান
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতের ঘটনায় লাল টি-শার্ট পড়া যুবকের বিষয়ে শনিবার (৩০ আগস্ট) নিজের ফেসবকু পেজে একটি পোস্ট দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।তিনি লিখেছেন, ‘লাল শার্ট পরা ব্যক্তি যাকে পিটিয়েছে সে নুরুল হক নুর নয়, সে ছাত্রনেতা সম্রাট। লাল শার্ট পরা ব্যক্তির ওপর দায় চাপিয়ে নুরুল হক নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলার বৈধতা দেওয়ার সুযোগ নেই। সেনাবাহিনীর যারা নুরুল হক নুরের ওপর হামলা করেছে, তাদের অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এমনকি আমাদের কার্যালয়ে ঢুকে ও বাথরুম ভেঙে অসংখ্য নেতাকর্মীদের রক্তাক্ত করেছে সেনাবাহিনী।’
যুবকের বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মীর আসাদুজ্জামান বলেন, ঘটনার সময় লাল টি-শার্ট পরে গণঅধিকার নেতাদের ওপর হামলা করা ব্যক্তিকে খুঁজছে পুলিশ। খুব দ্রুত তাকে শনাক্ত করতে আমাদের কয়েকটি টিম কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, ভিডিওতে দেখা লাঠি হাতে থাকা ওই ব্যক্তিকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা আটক করলেও তাৎক্ষণিক বিষয়টি না জানায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগবিরোধী মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ওপর জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এ ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার রাত ৮টার কিছু পর কাকরাইল এলাকায় মশাল মিছিল বের করে গণঅধিকার পরিষদ। এক পর্যায়ে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা হাতে মিছিলে হামলার চেষ্টা চালালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা তখন মিছিল থেকে ইটপাটকেল ছুড়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে জাপার কার্যালয় চত্বরে ঢুকে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিচার্জ করে। সংঘর্ষের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এক ভিডিওতে দেখা যায়, সেনাবাহিনী ও পুলিশের একাধিক সদস্য গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর লাঠিচার্জ করছেন।
নুরের নাক ও চোয়ালের হাড় ভেঙে গেছে-
এদিকে শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, লাঠির আঘাতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নাক ও চোয়ালের হাড় ভেঙে গেছে।তিনি বলেন, আহত অবস্থায় রাতে হাসপাতালে আনা হলে প্রথমে ক্যাজুয়ালটি বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে দেখেন। সেখান থেকে তাকে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে (ওসেক) রাখা হয়। পরে রাতে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান আরও বলেন, রাতেই পাঁচ বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয় এবং তাদের পরামর্শে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রাতে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। সকালেও মাথার সিটিস্ক্যান করানো হয়েছে। দেখা গেছে, তার মাথার হাড় ভেঙে গেছে। এ ছাড়া নাকের হাড় ও ডান চোয়ালের হাড়ও ভেঙে গেছে। মাথার ভেতরে রক্তক্ষরণ হয়েছে, তবে তা অতি সামান্য। তার চোখ-মুখ ফোলা রয়েছে। চোখেও রক্ত জমে আছে। তবে শরীরের অন্যান্য স্থানে কোথাও আঘাত দেখা যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লাঠিচার্জে গুরুতর আহত অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে গেলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের নাক, কান, গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আসাদুর রহমান, নিউরোসার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মাহমুদুর রহমান নোমান, প্লাস্টিক সার্জন ডা. সোহান, ডা. জামশেদ আলী ও ডা. সাইফুল আলম বাদশাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক ও নেতাকর্মীরা।ডা. রফিক নুরের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নুরের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
আইসিইউ থেকে বের হয়ে ডা. রফিক বলেন-
আইসিইউ থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. রফিক বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে আমরা নুরের ওপর হামলার ভিডিও দেখেছি। এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। নুরের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি জানান, নুরের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার মস্তিষ্কে ও চোখে রক্তক্ষরণ হয়েছে, নাকের একটি হাড় ভেঙে গেছে। যে কোনো প্রয়োজনে নুর ও তার পরিবারের পাশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, লাঠির আঘাতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নাক ও চোয়ালের হাড় ভেঙে গেছে।তিনি বলেন, আহত অবস্থায় রাতে হাসপাতালে আনা হলে প্রথমে ক্যাজুয়ালটি বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে দেখেন। সেখান থেকে তাকে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে (ওসেক) রাখা হয়। পরে রাতে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান আরও বলেন, রাতেই পাঁচ বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয় এবং তাদের পরামর্শে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রাতে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। সকালেও মাথার সিটিস্ক্যান করানো হয়েছে। দেখা গেছে, তার মাথার হাড় ভেঙে গেছে। এ ছাড়া নাকের হাড় ও ডান চোয়ালের হাড়ও ভেঙে গেছে। মাথার ভেতরে রক্তক্ষরণ হয়েছে, তবে তা অতি সামান্য। তার চোখ-মুখ ফোলা রয়েছে। চোখেও রক্ত জমে আছে। তবে শরীরের অন্যান্য স্থানে কোথাও আঘাত দেখা যায়নি।
এর আগে রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আওয়ামী লীগবিরোধী মিছিল চলার সময় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে সংগঠনটির সভাপতি নুরুল হক নুর মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। হামলার সময় লাল রঙের টি-শার্ট পরা এক যুবক নুর-সম্রাটদের ভিড়ে ঢুকে পড়েন ও একজনকে নির্দয়ভাবে আঘাত করেন।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে ঘটনার একটি ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।ভিডিওতে দেখা যায়, লাল টি-শার্ট পরিহিত এক যুবক গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ ছাত্রনেতা সম্রাটকে মারধর করেছেন। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে ওই যুবককে শনাক্ত করতে মাঠে নেমেছে পুলিশ।
লাল টিশার্ট পরা যুবককে খুঁজছে পুলিশ-
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মীর আসাদুজ্জামান বলেন, ঘটনার সময় লাল টি-শার্ট পরে গণঅধিকার নেতাদের ওপর হামলা করা ব্যক্তিকে খুঁজছে পুলিশ। খুব দ্রুত তাকে শনাক্ত করতে আমাদের কয়েকটি টিম কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, ভিডিওতে দেখা লাঠি হাতে থাকা ওই ব্যক্তিকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা আটক করলেও তাৎক্ষণিক বিষয়টি না জানায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগবিরোধী মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ওপর জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এ ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার রাত ৮টার কিছু পর কাকরাইল এলাকায় মশাল মিছিল বের করে গণঅধিকার পরিষদ। এক পর্যায়ে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা হাতে মিছিলে হামলার চেষ্টা চালালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা তখন মিছিল থেকে ইটপাটকেল ছুড়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে জাপার কার্যালয় চত্বরে ঢুকে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিচার্জ করে। সংঘর্ষের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এক ভিডিওতে দেখা যায়, সেনাবাহিনী ও পুলিশের একাধিক সদস্য গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর লাঠিচার্জ করছেন।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, ভিডিও ফুটেজে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, প্রথমে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। নুর মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পর লাল টি-শার্ট পরা ওই যুবক বেধড়ক মারধর শুরু করে। এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া জরুরি, এবং হামলাকারীদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক প্রেস সচিব ও সিনিয়র সাংবাদিক মারুফ কামাল খান ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, ছবি ও ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, গাঢ় লাল রঙের শার্ট পরা এক ব্যক্তি নুরুল হক নুরকে নির্মমভাবে আঘাত করছে। সেই বেপরোয়া হামলাকারী কে? তার পরিচয় উদ্ঘাটন করা গেলে অনেক কিছুই পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাহলে জানা যাবে, কারা পরিকল্পিতভাবে পরিস্থিতি অশান্ত ও নিয়ন্ত্রণহীন করে তুলতে চাইছে, আর তাদের আসল উদ্দেশ্যই বা কী।
এদিকে শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, লাঠির আঘাতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নাক ও চোয়ালের হাড় ভেঙে গেছে।তিনি বলেন, আহত অবস্থায় রাতে হাসপাতালে আনা হলে প্রথমে ক্যাজুয়ালটি বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে দেখেন। সেখান থেকে তাকে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে (ওসেক) রাখা হয়। পরে রাতে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান আরও বলেন, রাতেই পাঁচ বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয় এবং তাদের পরামর্শে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রাতে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। সকালেও মাথার সিটিস্ক্যান করানো হয়েছে। দেখা গেছে, তার মাথার হাড় ভেঙে গেছে। এ ছাড়া নাকের হাড় ও ডান চোয়ালের হাড়ও ভেঙে গেছে। মাথার ভেতরে রক্তক্ষরণ হয়েছে, তবে তা অতি সামান্য। তার চোখ-মুখ ফোলা রয়েছে। চোখেও রক্ত জমে আছে। তবে শরীরের অন্যান্য স্থানে কোথাও আঘাত দেখা যায়নি।