বিশেষ প্রতিবেদন

প্রশান্তি হাসপাতালে সন্ত্রাসী থাবা-রোগী ডাক্তাররা আতংক


স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর শান্তিবাগে প্রশান্তি হাসপাতালে সন্ত্রাসী থাবায় রোগী চিকিৎসকরা এখন আতংকে দিনাতিপাত করছে। একদল বহিরাগত লোক হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স রুম, সেন্ট্রাল অক্সিজেন ইউনিট প্লান্টের সামনে টিনসেড তুলে জায়গা জবর দখলের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের লিখিত অভিযোগ পেয়ে স্থানীয় শাহজাহানপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পুলিশের এস আই শহিদুল ঘটনাস্থলে কয়েকজনকে ঘুরতে দেখে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ইকবাল ও আকাশ এর প্রকাশ করে।

প্রশান্তি হাসপাতাল লি কর্তৃপক্ষ জানায়, দীর্ঘ ২ যুগের বেশি সময় যাবৎ তারা সুনামের সাথে অত্র এলাকা তথা সারা বাংলাদেশের মানুষকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছে। বিশেষ করে করোনা মহামারির সময় করোনা অনুমোদিত হাসপাতাল হিসেবে রাতদিন নিরলসভাবে অগনিত মানুষের সেবা প্রদান করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯ ঘটিকায় ইকবাল ও আকাশ সহ অত্র এলাকার কিছু লোকজন হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা (সি সি ক্যামেরা) ও সাইনবোর্ড ভেঙ্গে তাদের নিজেদের ১ শতাংশ জায়গা দাবি করে টিনসেড স্থাপনা বসাতে শুরু করে। এতে হাসপাতাল স্টাফ, হাসপাতালে প্রবেশের রাস্তা বন্ধ হবে যাবে উল্লেখ করে কাজ বন্ধ করে আলোচনার কথা বললে তারা স্টাফদেরকে অকত্থ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে।

ইতিপূর্বে ২৮/০৩/২০২২ ইং তারিখে শাহাজাহানপুর থানার ওসির নেতৃত্বে মধ্যস্থতায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইকবাল ও আকাশ কে নিয়ে উক্ত বিষয়ে আলোচনায় করে। আলোচনায় শেষে ওসি মৌখিক ভাবে ইকবাল ও আকাশ কে আগামি ২ মাসের মধ্যে উক্ত স্থানে কোন প্রকার স্থাপনা বা প্রতিবন্ধকতা তৈরি না করার নির্দেশ প্রদান করেন।

উক্ত নির্দেশনা অমান্য করে তারা জোরপূর্বক হাসপাতালের চলাচলের রাস্তা বন্ধ এবং হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। যার ফলে হাসপাতালের সেবা প্রদান বিঘ্নিত হওয়া সহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। বিশেষ করে সেন্ট্রাল অক্রিজেন লাইন ও জরুরি বিদ্যুৎ সেবা (জেনারেটর) সম্পূর্ন ভাবে হুমকির মুখে পরেছে । যে কারনে আই সি ইউ এবং এন আই সি ইউ রোগীর মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে।

 

 

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Back to top button